শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ উত্থানের ঝুঁকি বর্তমানে কতটুকু?

প্রবাহ বাংলা প্রতিবেদন প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ উত্থানের ঝুঁকি বর্তমানে কতটুকু?

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উপস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন দেশি ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম যেমন ডয়চে ভেলে বাংলা, প্রথম আলো, বিবিসি বাংলা এবং স্থানীয় নিরাপত্তা সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—পরিস্থিতি আগের তুলনায় নিয়ন্ত্রিত হলেও ঝুঁকি পুরোপুরি শেষ হয়নি।

সাম্প্রতিক গ্রেপ্তার ও গোয়েন্দা তথ্য:
দেশীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েকজন সন্দেহভাজন উগ্রপন্থিকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম ও প্রযুক্তিগত ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, এদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের যোগাযোগের ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে।

এ ধরনের তথ্য নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পূর্ববর্তী প্রতিবেদন এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষণেও বাংলাদেশে বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সীমিত যোগাযোগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সরকারের অবস্থান:
ডয়চে ভেলে বাংলার প্রতিবেদনে দেখা যায়, সরকারের ভেতরে জঙ্গিবাদ নিয়ে ভিন্নধর্মী বক্তব্য রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে সংগঠিত জঙ্গি তৎপরতা নেই বলে মন্তব্য করলেও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা স্বীকার করেছেন যে, জঙ্গিবাদ পুরোপুরি নির্মূল হয়নি এবং সরকার এটি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

এই অবস্থানটি মূলত বাস্তবতার দুই দিক তুলে ধরে—একদিকে বড় আকারের হামলা কমেছে, অন্যদিকে ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হয়নি।

বিস্ফোরণ ও সন্দেহজনক কার্যক্রম:
প্রথম আলো ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্থানে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ঘটনা সামনে এসেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জের ঘটনায় বিস্ফোরক তৈরির আলামত পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন হলেও এগুলো সম্ভাব্য বড় নাশকতার পূর্বাভাস হতে পারে—যা অতীতের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলে যায়।

নিরাপত্তা সতর্কতা ও ঝুঁকির চিত্র:
বাংলাদেশ পুলিশ সদরদপ্তরের অভ্যন্তরীণ নির্দেশনা (যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে) অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা বিবেচনায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর ভেতরেও উগ্রপন্থি প্রভাবের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য সংবেদনশীল বিষয়।

জঙ্গি নেটওয়ার্কের বর্তমান অবস্থা:
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য, যা বিভিন্ন দেশীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, অনুযায়ী দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সন্দেহভাজন জঙ্গির তালিকা রয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই জামিনে মুক্ত এবং কিছু পলাতক। আবার কয়েকজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।

এই তথ্যগুলো ইঙ্গিত দেয়—জঙ্গি নেটওয়ার্ক পুরোপুরি নির্মূল না হয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছোট সেলের মাধ্যমে টিকে থাকতে পারে।

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিভঙ্গি:
ডয়চে ভেলে বাংলা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত মতামতে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলেছেন, বর্তমানে বড় ধরনের হামলার তাৎক্ষণিক ঝুঁকি কম। তবে অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, জঙ্গিরা দীর্ঘ প্রস্তুতির পর হামলা চালায়—তাই আগাম সতর্কতা জরুরি।

তারা আরও উল্লেখ করেছেন, উগ্রবাদী মতাদর্শ এখনো কিছু তরুণকে প্রভাবিত করছে, যা দীর্ঘমেয়াদে উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

পরিস্থিতির বিশ্লেষণে বুঝা যায়, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ আগের মতো শক্তিশালী নয় তবে ছোট ও গোপন নেটওয়ার্ক সক্রিয় থাকতে পারে।
আন্তর্জাতিক যোগাযোগের কিছু ঝুঁকি রয়েছে, যদিও নিরাপত্তা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং তাৎক্ষণিক বড় হামলার সম্ভাবনা কম, তবুও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে— গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোসহ সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরীণ যাচাই জোরদার, পলাতক ও জামিনপ্রাপ্তদের পর্যবেক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার বিষয়টি পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বোপরি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ এখন নিম্নমাত্রার কিন্তু স্থায়ী ঝুঁকি হিসেবে বিদ্যমান। এটি দৃশ্যমান না হলেও অদৃশ্যভাবে সক্রিয় থাকতে পারে। তাই বাস্তবভিত্তিক মূল্যায়ন ও ধারাবাহিক নজরদারি ছাড়া এ ঝুঁকি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৪৩২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৪৩২

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪৩২ জন। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত ২১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৭১ হাজার ৫৩৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগে এবং একজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১০৬৪

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১০৬৪

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৪ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৭ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০১ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৮৬ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা, খুলনা ও কুমিল্লা জেলায় একজন করে মারা গেছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এদিকে একই সময়ে ৮৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯৯ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ফলে এ পর্যন্ত দেশে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮১৩ জনে।

রাজধানীর বহুতল ভবনে আগুন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৭ পিএম
রাজধানীর বহুতল ভবনে আগুন

রাজধানীর বনানীতে একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বনানীর এফ আর টাওয়ারের পাশের আহমেদ টাওয়ার নামের একটি ভবনে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। খবর পেয়ে ইতোমধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। এ ছাড়া অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার গণমাধ্যমকর্মীদের কে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তিনি জানান, বিকেল ৫টা ৩৬ মিনিটের দিকে বনানীর ২৬ তলা ওই ভবনটিতে আগুনের খবর পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক