চৈত্র মাসের এই সময়ে ২২ রমজানের দিনে হঠাৎ কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে শেরপুরের জনপদ। রোববার ভোর থেকে মাঝারি ও ঘন কুয়াশার কারণে সামান্য দূরের জিনিসও দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল না।
ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলেছে কুয়াশার রাজত্ব। অবশ্য সকাল সাড়ে ৭টার পর সূর্যের আলো ছড়ালে কুয়াশা কেটে গিয়ে আলো ঝলমল দিনের দেখা মিলেছে।
কুয়াশার কারণে রোববার ভোর থেকে জেলার সড়ক ও মহাসড়কে বাস-ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন চলেছে ধীর গতিতে। চৈত্রের প্রথম সপ্তাহে জেলায় হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার কারণে সকালে ও রাতে একটু শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে।
কুয়াশা মাখা রোববার চৈত্রের সকালে কাজে বের হওয়া অনেকেই বলেছেন, এ অসময়ে এ ধরনের কুয়াশা রোগ-বালইয়ের লক্ষণ। চৈত্র মাসের প্রথম থেকেই বৃষ্টি, গরম, কুয়াশা ও ঠাণ্ডায় প্রায় প্রতিটি পরিবারেই সর্দি ও জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।
এদিকে চৈত্র মাসের অনাকাঙ্খিত কুয়াশার দেখা মেলায় এটাকে ঋতুর বৈচিত্রতা বলেও অনেকে মন্তব্য করেছেন। চৈত্রের শুরু থেকেই মাঝে মধ্যেই একদিকে বৃষ্টি ও বাতাস হচ্ছে এবং অন্যদিকে গরমের মাত্রা বাড়ছে। আবার কখনও হালকা শীতের পরশও লাগছে।
এদিকে আজ রোববার ভোরে ধোঁয়া ধোঁয়া কুয়াশার মাখামাখিতে শেরপুরে এক অন্য রকম প্রাকৃতিক পরিবেশ বিরাজ করায় অনেকেই একটু বিস্মিতও হয়েছেন।
শেরপুরে কোনো আবহাওয়া অফিস না থাকায় অসময়ে কেন কুয়াশা এবং আবহাওয়ার সার্বিক গতি প্রকৃতি সম্পর্কে জানা সম্ভব হচ্ছে না।
মন্তব্য করুন