যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সামরিক সক্ষমতা যাচাই করতে চায় কিংবা যুদ্ধের পথে অগ্রসর হয়, তাহলে ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
সোমবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা আরবিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন যদি আমাদের সামরিক শক্তি পরীক্ষা করতে চায়—যা তারা অতীতেও করেছে—তাহলে আমরা তার জন্য প্রস্তুত। তবে আমরা আশা করি, যুক্তরাষ্ট্র বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনার পথই বেছে নেবে।”
ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য যারা যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করছে, তাদের প্রতিও সতর্কবার্তা দেন ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক।
দেশে চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে আব্বাস আরাগচি বলেন, বিক্ষোভে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অনুপ্রবেশ করেছে এবং তারা বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতার পেছনে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক অভিযানের হুমকি ‘সন্ত্রাসীদের’ আরও উসকে দিচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশি হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যেই বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। তবে একই সঙ্গে তিনি জানান, “মর্যাদা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে” যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী ইরান।