রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার নিলিকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রেস্তোরাঁ কর্মী মিলনকে আটক করেছে র্যাব।
সোমবার সকালে র্যাব সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক খুদে বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তবে তাকে কোথা থেকে ও কখন আটক করা হয়েছে—সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এর আগে শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামের নিজ বাসা থেকে নিলির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত নিলি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত মিলন নিহতের বাবা সজীব মিয়ার রেস্তোরাঁয় কর্মরত ছিল। ঘটনার পর আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় মিলনের সন্দেহজনক গতিবিধি এবং ঘটনার সময় বাসায় প্রবেশের দৃশ্য ধরা পড়ে। এরপর তাকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে লুটপাটের উদ্দেশ্যে মিলন সেখানে প্রবেশ করে। এ সময় নিলি বাধা দিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করা হয়।
খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আরও জানান, ধর্ষণের কোনো আলামত রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের সময় ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের আবেদন করা হয়েছে।
র্যাব সূত্র জানায়, পলাতক থাকার কয়েক দিনের মধ্যেই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তাকে এখন সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হচ্ছে এবং রিমান্ড আবেদনসহ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।