মিরপুরে বাড়ি দখলের চেষ্টা, ভাঙচুর, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি তদন্তের জন্য প্রথমবারের মতো স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নকে (এসআরবি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে এ মামলার আবেদন করেন মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু। শুনানি শেষে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে এসআরবিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলায় হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টিকে আসামি করা হয়েছে।
আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, এসআরবি আইনে মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। মামলাটি ভূমিসংক্রান্ত হওয়ায় আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী এসআরবির মহাপরিচালককে এসআই পদমর্যাদার নিচে নয়, এমন একজন সদস্য দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মিরপুর হাউজিং এস্টেটের একটি বহুতল ভবনের মালিক ইউনুস আলী ও রুমা আক্তার বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। তাদের সম্পত্তি দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন চাচা মো. মিজানুর রহমান।
অভিযোগ অনুযায়ী, মালিকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটি দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই হেমায়েত উদ্দিন সুমনের নেতৃত্বে আসামিরা জোরপূর্বক বাড়িতে প্রবেশ করেন। এতে বাধা দেওয়া হলে মিজানুর রহমানকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
পরে হেমায়েত উদ্দিন সুমন মিজানুর রহমানের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় এবং সেখান থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে।