অতি ভারী বৃষ্টির পর জলাবদ্ধতার কারণে কুমিল্লা সদর হাসপাতালের প্রধান ভবনের নিচতলার দুটি ওয়ার্ডে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ নেই। এতে মেডিসিন ও সার্জারি ওয়ার্ডের রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
সোমবার সকালে বৃষ্টির পর মেডিসিন ও সার্জারি ওয়ার্ডে পানি জমে যায়। পরে বৈদ্যুতিক লাইনে সমস্যা দেখা দিলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বলে জানান দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সরা।
রোগী ও স্বজনরা জানান, একদিকে জলাবদ্ধতা, অন্যদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার ও গরমে মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে। অনেক রোগী দুর্ভোগ সহ্য করতে না পেরে হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ি চলে গেছেন।
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, মোবাইলের আলোতে রোগীকে ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে, আবার কেউ মোমবাতি জ্বালিয়ে খাবার খাওয়াচ্ছেন। গরম ও মশার যন্ত্রণায় রোগী ও স্বজনদের কষ্ট বেড়েছে।
কিডনি রোগীর স্বজন রিয়াজ হোসেন বলেন, সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।
কুমিল্লা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আব্দুল করিম ভূঁইয়া জানান, বৈদ্যুতিক সমস্যার সমাধানে ইলেকট্রিশিয়ানরা কাজ করছেন এবং দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।