যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৪৮ দলের আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ নতুন প্রজন্মের তারকাদের নিজেদের মেলে ধরার বড় মঞ্চ হতে পারে। ইতিহাসে দেখা গেছে, বিশ্বকাপই অনেক তরুণ ফুটবলারের বিশ্বব্যাপী পরিচিতি এনে দিয়েছে।
এখানে এমন ১০ জন ২৩ বছর বা তার কম বয়সী প্রতিভাবান ফুটবলারের তালিকা দেওয়া হলো, যারা নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপে দারুণ ছাপ রাখতে পারেন—
১০. এন্ড্রিক (১৯) – ব্রাজিল:
ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ সুপারস্টার হিসেবে ধরা হয় এন্ড্রিককে। অল্প বয়সেই চাপ সামলানোর অসাধারণ ক্ষমতা দেখিয়েছেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড ইউরোপে নিজের প্রথম মৌসুমেই দারুণ পারফর্ম করেছেন। গতি, অবস্থান নেওয়ার দক্ষতা এবং গোল করার ক্ষমতা তাকে বিশ্বকাপে বড় তারকা করে তুলতে পারে।
৯. কোবি মাইনু (২১) – ইংল্যান্ড:
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডারকে ইংল্যান্ডের অন্যতম উজ্জ্বল প্রতিভা ধরা হয়। মধ্যমাঠে তার শান্ত স্বভাব, বুদ্ধিদীপ্ত পাসিং এবং নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা তাকে দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যে পরিণত করেছে।
৮. ইব্রাহিম মবায়ে (১৮) – সেনেগাল:
পিএসজির তরুণ আক্রমণভাগের এই খেলোয়াড় আফ্রিকার অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল তারকা। গতি, ড্রিবলিং ও আক্রমণাত্মক মানসিকতা তাকে বিশেষভাবে আলাদা করে তুলেছে।
৭. পাও কুবারসি (১৯) – স্পেন:
বার্সেলোনার এই ডিফেন্ডার খুব অল্প বয়সেই অসাধারণ পরিপক্বতা দেখিয়েছেন। বল নিয়ন্ত্রণে শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী খেলা তাকে স্পেনের রক্ষণভাগের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে পরিণত করেছে।
৬. এলিয়ট অ্যান্ডারসন (২৩) – ইংল্যান্ড:
নটিংহ্যাম ফরেস্টের এই মিডফিল্ডার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নজর কাড়ছেন। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং মাঠজুড়ে দৌড়ানোর ক্ষমতা তাকে বিশেষ করে তুলেছে।
৫. নিকো পাজ (২১) – আর্জেন্টিনা:
সিরি আ ক্লাব কোমোর হয়ে দারুণ মৌসুম কাটানো এই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার গোল ও অ্যাসিস্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ শক্তি হিসেবে তাকে দেখা হচ্ছে।
৪. নিকো ওরেইলি (২১) – ইংল্যান্ড:
ম্যানচেস্টার সিটির এই খেলোয়াড় আধুনিক ফুলব্যাকের নতুন সংজ্ঞা তৈরি করছেন। আক্রমণ ও রক্ষণ দুই দিকেই তার কার্যকর ভূমিকা রয়েছে।
৩. জোয়াও নেভেস (২১) – পর্তুগাল:
পিএসজির এই মিডফিল্ডার তার গতি, শক্তি ও টেকনিক্যাল দক্ষতার জন্য পরিচিত। মধ্যমাঠে তার অবদান পর্তুগালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
২. ডিজায়ার দুয়ে (২১) – ফ্রান্স:
ফ্রান্সের অন্যতম উজ্জ্বল তরুণ তারকা হিসেবে বিবেচিত তিনি। ড্রিবলিং, পাসিং ও গোল করার দক্ষতা তাকে বহুমুখী আক্রমণাত্মক খেলোয়াড়ে পরিণত করেছে।
১. লামিনে ইয়ামাল (১৮) – স্পেন:
তালিকার শীর্ষে রয়েছেন বার্সেলোনার এই তরুণ উইঙ্গার। ইউরো ২০২৪-এ দারুণ পারফরম্যান্সের পর তিনি ইতিমধ্যেই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তরুণ তারকা হিসেবে পরিচিত। স্পেনের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও তার মধ্যে দেখা যাচ্ছে।