নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচজনের কেউই শেষ পর্যন্ত বেঁচে ফিরতে পারলেন না। স্বামী ও তিন সন্তানের পর এবার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন গৃহবধূ সায়মা আক্তার (৩৫)।
শুক্রবার (১৫ মে) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় একে একে প্রাণ হারান সায়মার স্বামী মোহাম্মদ কালাম (৪৫) এবং তাদের তিন সন্তান মুন্না (১৮), মুন্নি (১৪) ও কথা (৯)।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১০ মে ফতুল্লার ভূঁইগড় গিরিধারা এলাকার একটি আট তলা ভবনের নিচ তলার ফ্ল্যাটে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। গভীর রাতে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই বিস্ফোরণ হলে ঘরে থাকা পাঁচজনই গুরুতর দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ফ্ল্যাটের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে দীর্ঘক্ষণ গ্যাস বের হয়ে ঘরের ভেতর জমা হয়েছিল। পরে বৈদ্যুতিক সুইচ বা আগুনের সংস্পর্শে আসায় এই বিস্ফোরণ ঘটে। একই পরিবারের সবার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।