কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সুনামগঞ্জে, যেখানে পৃথক ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
সুনামগঞ্জে হাওরে কাজ করতে গিয়ে প্রাণহানি:
শুক্রবার দুপুরে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় হাওরে ধান কাটা ও হাঁস চরানোর সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। ধর্মপাশা উপজেলার টগার হাওরে ধান কাটার সময় কলেজশিক্ষার্থীসহ দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। একই সময়ে জামালগঞ্জে আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়। এছাড়া তাহিরপুরে হাঁস চরানোর সময় একজন এবং দিরাই উপজেলার একটি হাওরে ধান কাটতে গিয়ে আরও একজন প্রাণ হারান। এসব ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রংপুরে মাছ ধরার সময় দুর্ঘটনা:
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় একটি মাছের খামারে বজ্রপাতের ঘটনায় দুই ব্যক্তি নিহত হন। এ সময় সেখানে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং শিশুসহ অন্তত সাতজন আহত হন। কয়েকজন দগ্ধ ও অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
হবিগঞ্জে কৃষকের মৃত্যু:
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণায় আরও দুইজন নিহত:
এদিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে এক কৃষক এবং নেত্রকোণার একটি হাওর এলাকায় আরেক ব্যক্তি বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন।
এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় খোলা জায়গা, হাওর বা জলাশয়ের আশপাশে অবস্থান না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।