চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় “এক্সপোর্ট টু চায়না” নামে একটি নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য হলো বিদেশি পণ্যের আমদানি বাড়ানো। এই পরিকল্পনায় স্পেনকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশগুলোর একটি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগের আওতায় চীন ১০০টিরও বেশি কার্যক্রম আয়োজন করবে, যাতে বিদেশি কোম্পানিগুলো সহজে তাদের পণ্য চীনের বাজারে প্রবেশ করাতে পারে। শুধু পণ্য বাজারে ঢোকানোই নয়, বরং সেগুলো যেন ভালোভাবে বিক্রি হয়, সেটিও নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে। এজন্য অনলাইন ও সরাসরি—দুই ধরনের কার্যক্রমই পরিচালিত হবে।
চীন একই সঙ্গে তাদের নিজস্ব কোম্পানিগুলোকে বিদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণে উৎসাহ দেবে এবং বিদেশি কোম্পানিগুলোকে চীনে বিনিয়োগ ও ব্যবসার জন্য আকৃষ্ট করবে। ফলে এটি একটি দুইমুখী বাণিজ্য কৌশল হিসেবে কাজ করবে।
এই পরিকল্পনায় প্রথমবারের মতো কয়েকটি দেশকে “থিম দেশ” হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে স্পেন ছাড়াও যুক্তরাজ্য, কাজাখস্তান, কেনিয়া এবং থাইল্যান্ড রয়েছে। এর মাধ্যমে চীন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির উৎস বৈচিত্র্যময় করতে চায়।
বর্তমানে স্পেন ও চীনের মধ্যে বড় বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। ২০২৫ সালে এই ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ৪২,২৭৮ মিলিয়ন ইউরো। যদিও স্পেনের রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে, তবুও এই নতুন উদ্যোগ স্পেনের জন্য চীনের বাজারে আরও বেশি পণ্য প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
এদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেস শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছেন, যেখানে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।