চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ৬ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে ঘটনার রহস্যও উদঘাটন করা হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার আলীনগর ইউনিয়ন এর প্রেমতলী এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশুটি গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের সন্তোষপুর বুড়িতলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটি তার নানা বাড়ির এক আত্মীয়ের সঙ্গে আলীনগরের মকরমপুর গ্রামে তাফসীর মাহফিলে যায়। সেখান থেকেই হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় সে। পরে মাইকিং করে খোঁজাখুঁজি করা হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন শনিবার পরিবারের পক্ষ থেকে গোমস্তাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিহতের স্বজনরা জানান, নিখোঁজ হওয়ার আগে শিশুটি অন্য শিশুদের সঙ্গে পাশের একটি বাগানে খেলছিল। এ সময় পরিবারের এক আত্মীয় তাকে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জিডির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের দুলাভাই মো. অন্তর (২০) কে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ধানক্ষেতে মরদেহ ফেলে রাখার কথা স্বীকার করেন বলে জানায় পুলিশ।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রেমতলী এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় করা জিডি নিয়মিত মামলায় রূপান্তর করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।