ঈদযাত্রায় ঢাকা-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় ঢল নেমেছে যাত্রীদের। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকে মাওয়া টোল প্লাজায় যানবাহনের সারি দেখা যায়। একই চিত্র ছিল গতকাল বুধবারও। এদিন ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ৫০ টাকা টোল আয় হওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১ হাজার ৮৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ৫০ টাকা। দ্রুত টোল আদায় নিশ্চিত করতে মাওয়া প্রান্তে ১০টি বুথ ও জাজিরা প্রান্তে ৯টি বুথ ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে। যানবাহনের চাপ থাকলেও দীর্ঘ জট তৈরি হচ্ছে না।
সূত্র মতে, বুধবার মাওয়া প্রান্ত হয়ে ২৮ হাজার ৩৯০টি ও জাজিরা প্রান্ত হয়ে ১৩ হাজার ৪৯৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদযাত্রার তৃতীয় দিনে ব্যক্তিগত যানবাহন, গণপরিবহন, মোটরসাইকেলে করে যে-যার মতো ছুটছে গন্তব্যে। পিকআপ-ট্রাকেও বাড়িপথে ছুটতে দেখা গেছে যাত্রীদের। সেতুর ১০টি বুথ দিয়ে নির্ধারিত টোল দিয়ে পারাপার হচ্ছে এসব যানবাহন। যানবাহনের চাপ থাকলেও এই পথে কোনো জট না থাকায় ভোগান্তি ছাড়াই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন।
তবে আজও এই পথে অতিরিক্ত ভাড়া ও পর্যাপ্ত গাড়ি না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। পদ্মা সেতু উত্তর থানা মোড়ে অপেক্ষায় দেখা যায় যাত্রীদের।