ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার দিবাগত রাতে বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত। হত্যাকাণ্ডটি ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ১২ ডিসেম্বর ঘটে। ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে মোটরসাইকেলযোগে আততায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়, সেখানে ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
এসটিএফ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা ভারতের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করার পর বনগাঁও এলাকায় আসছিল, উদ্দেশ্য ছিল সুযোগ পেলেই আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে হাজির করার পর পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তদন্তে আরও জানা গেছে, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি নতুন ধরনের রাজনীতি শুরু করেছিলেন। এর কারণে রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ফয়সাল করিম মাসুদ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এবং আলমগীর হোসেন আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী। হত্যাকাণ্ডের নির্দেশনা দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ঢাকার মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী।