পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, পরিবেশ খাতে অতীতে যেসব অনিয়ম ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, ভবিষ্যতে সেগুলো আর সহ্য করা হবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
রোববার দুপুরে ফেনী সার্কিট হাউস-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অতীতের জন্য কাউকে দায়ী করে বসে থাকলে চলবে না; বরং এখনই দূষণ কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ বিশ্বের অন্যতম খারাপ অবস্থানে রয়েছে। মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও জানান, আগামী মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দূষণমুক্ত দেশ গড়তে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরিবেশ দূষণের প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেন, দূষণ মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও ক্ষতি করছে এবং মানুষের গড় আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে। তাই পরিবেশ সংরক্ষণ এখন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
ইটভাটা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রচলিত পদ্ধতিতে মাটি পুড়িয়ে ইট তৈরির প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে বন্ধ করা হবে। যদিও এটি একদিনে সম্ভব নয়, তবুও পরিবেশবান্ধব ব্লক ইট ব্যবহারের দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে হবে।
উন্নয়ন কার্যক্রমে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না উল্লেখ করে তিনি মাঠপর্যায়ের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
মতবিনিময় সভায় মনিরা হক, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. নবীনেওয়াজ, মোবাশ্বের হোসেন মো. রাজিব এবং গাজী হাবিবুল্লাহ মানিকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন