নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের মসজিদভিত্তিক ধর্মীয় দায়িত্বশীলদের জন্য সম্মানী চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নেতৃত্বাধীন সরকার। তবে এই ভাতার পরিমাণ এখনো নির্ধারণ হয়নি। সরকার জানিয়েছে, ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি এলাকায় কর্মসূচি চালু করা হবে এবং পরে তা সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এ সময় তাঁর সঙ্গে স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের আগে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল। ক্ষমতায় আসার পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সম্মানীর পরিমাণ নির্ধারণে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল তারেক রহমান–এর তৃতীয় কর্মদিবস। এদিন তিনি প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে নিয়মিত অফিস করেন এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নসংক্রান্ত বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। কর্মস্থলে প্রবেশের আগে তিনি সংশ্লিষ্টদের ব্রিফ করেন, দীর্ঘদিনের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং মন্ত্রীদের সঙ্গে নীতিগত বিষয়েও আলোচনা করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।