দেশের আকাশে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এর ফলে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে সারা দেশে রোজা পালন শুরু হবে। আজ রাত থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তারাবির নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মাহে রমজানের প্রস্তুতি নেবেন।
সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
হাদিসে বর্ণিত আছে, তালহা বিন উবাইদুল্লাহ (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) নতুন চাঁদ দেখলে এ দোয়া পাঠ করতেন—
“اللَّهُمَّ أهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالأمْنِ وَالإيمانِ، وَالسَّلاَمَةِ وَالإسْلاَمِ، رَبِّي وَرَبُّكَ الله”
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল-ইউমনি ওয়াল ঈমান, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।
অর্থ: হে আল্লাহ! এই চাঁদকে আমাদের জন্য বরকত, ঈমান, নিরাপত্তা ও ইসলামের সঙ্গে উদিত করুন। আমার ও তোমার রব হচ্ছেন আল্লাহ। (তিরমিজি: ৩৪৫১)
তবে এ দোয়া শুধু রমজানের চাঁদ দেখার জন্য নির্দিষ্ট নয়; বরং প্রত্যেক মাসের শুরুতে নতুন চাঁদ দেখলে এই দোয়া পড়া সুন্নত।
রাসুলুল্লাহ (সা.) শাবান মাসের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ অনুসন্ধান করতেন এবং সাহাবিদেরও চাঁদ দেখার নির্দেশ দিতেন। চাঁদ দেখা গেলে তিনি কল্যাণ ও বরকতের জন্য দোয়া করতেন।
এ ছাড়াও আরেকটি দোয়া হাদিসে বর্ণিত হয়েছে—
উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার। আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি, ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা, রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।
অর্থ: আল্লাহ মহান। হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের জন্য নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদিত করুন এবং আপনি যা ভালোবাসেন ও যাতে সন্তুষ্ট হন সে কাজ করার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ আমাদের এবং তোমাদের প্রতিপালক। (তিরমিজি, মিশকাত)