মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি পৃথক মামলায় অভিযুক্ত ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে চাকরিরত, এমন তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজি মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।
রোববার দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
একজন সাংবাদিক জানতে চান, “সংশোধিত আইনে বলা আছে— আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল হলে অভিযুক্তদের চাকরিতে থাকা উচিত নয়। তাহলে এই কর্মকর্তারা কি এখনো কর্মরত?”
প্রসিকিউটর মোনাওয়ার হুসাইন বলেন, “আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার সেনা সদর দপ্তরের। তারা যখন এই আইন কার্যকর করবে, তখন বিষয়টি পরিষ্কার হবে। যতক্ষণ না করে, ততক্ষণ তাদের সার্ভিং বলা যেতে পারে।”
তথ্য অনুযায়ী, এই তিনটি মামলার মধ্যে দুটি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও নির্যাতনের মাধ্যমে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে, আরেকটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত অপরাধের ঘটনায় দায়ের করা হয়েছে।
মোট আসামি ২৫ জনের মধ্যে ১৫ জন সক্রিয় সেনা কর্মকর্তা, ১ জন এলপিআরে (অবসরোত্তর ছুটিতে) এবং ৯ জন অবসরপ্রাপ্ত।
গুম-নির্যাতনের দুই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ছিল ২০ নভেম্বর। প্রসিকিউশনের অনুরোধে তারিখ পরিবর্তন করে ২৩ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে ট্রাইব্যুনাল।
এছাড়া, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলায় দুই সেনা কর্মকর্তা আসামি আছেন। এই মামলার আগের তারিখ ছিল ৫ নভেম্বর, যা পরিবর্তন করে ২৪ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।
প্রসিকিউটর জানান, প্রসিকিউশনের অভ্যন্তরীণ জটিলতার কারণে শুনানির তারিখ পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে।