বুধবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইন উপদেষ্টা জানান, সরকার আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে অটল রয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকারের কোনো বিকল্প চিন্তা নেই। তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং প্রক্রিয়াটি ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলছে।
জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা জানান, আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে সব রাজনৈতিক দল এই সনদে স্বাক্ষর করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “জুলাই সনদ প্রণয়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক দলগুলো পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে অংশ নিয়েছে, এটি একটি সম্মিলিত প্রক্রিয়া।”
ড. আসিফ নজরুল এ বিষয়ে বলেন, “জুলাই সনদ এখন বাস্তবায়নের পথে। এটি একটি ঐকমত্যমূলক নথি, যেখানে সব দলের অংশগ্রহণ প্রত্যাশিত।”
উপদেষ্টাদের প্রতি রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা বলেন, “বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলো উপদেষ্টাদের সমালোচনা করছে, এমনকি কখনও হুমকিও দিচ্ছে। এটিকে গণতন্ত্রের বিকাশের অংশ হিসেবেই দেখা উচিত।”
তবে তিনি আহ্বান জানান, সমালোচনায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদেরও অন্যের সমালোচনা শুনতে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। তার ভাষায়, “গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্যই হলো মতভেদকে সহনশীলতার সঙ্গে গ্রহণ করা।”
বিচার বিভাগ সংস্কার বিষয়ে তিনি জানান, বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন আইন প্রণয়নের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়াটি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উত্থাপন করা হবে।
আইন উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “এই সরকারের মেয়াদেই আমরা বিচার বিভাগ সচিবালয় প্রতিষ্ঠার আইনটি পাস করতে পারব।”