মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক বাংলাদেশিসহ ৯ দেশের ১০৭ জন বিদেশি নাগরিককে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। গত ৪ নভেম্বর কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ) টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ ব্যবহার করে তাদের প্রত্যাবাসন করা হয়। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের অভিবাসন বিভাগের (জেআইএম) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসন করা ১০৭ জনের মধ্যে ৮৫ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী, দুটি ছেলে শিশু ও দুটি মেয়ে শিশু রয়েছে। তারা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মিসর, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও ম্যাকাওয়ের নাগরিক।
কেদাহ ইমিগ্রেশন বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিজ নিজ দেশে পাঠানোর আগে এসব অভিবাসীকে কেদাহ রাজ্যের সিক এলাকার বেলান্তিক অভিবাসন আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। তাদের প্রত্যাবাসনের যাবতীয় ব্যয় সংশ্লিষ্ট অভিবাসীদের পরিবারের সদস্য ও নিয়োগকর্তারা বহন করেছেন।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫) এবং ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে এসব বিদেশি নাগরিক দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। নির্ধারিত সাজা ভোগের পর তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে, পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ ঠেকাতে প্রত্যাবাসন করা প্রত্যেকের নাম দেশটির অভিবাসন বিভাগের কালোতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে তাদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
কেদাহ রাজ্যের অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে চলমান নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ প্রত্যাবাসন অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত, আটক এবং নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এর আগে, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস অভিবাসন আটককেন্দ্র থেকে ৯ দেশের ১৮২ জন আটক বিদেশি নাগরিককে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে ৪৫ জন ছিলেন বাংলাদেশি।