প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুত, সহজ ও হয়রানিমুক্ত কনস্যুলার সেবা দিতে নতুন অটোমেশনভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করেছে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। ‘ই-কনস্যুলার’ নামের এ ব্যবস্থার মাধ্যমে পাসপোর্ট রেফারেন্স লেটার, পারিবারিক সম্পর্কসংক্রান্ত সনদ, সিঙ্গাপুর ট্রাভেল লেটারসহ বিভিন্ন ধরনের কনস্যুলার সেবা দেওয়া হচ্ছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এ ব্যবস্থায় পাসপোর্টের ফটোকপি থেকে উন্নত প্রযুক্তির ওসিআর (অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন) স্ক্যানারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে ইউনিক কিউআর কোডযুক্ত নথি তৈরি করা হচ্ছে, যা স্ক্যান করে সহজেই যাচাই ও ডিজিটালি রিভিউ করা সম্ভব।
এ ছাড়া রিয়েল-টাইমে আবেদন গ্রহণ, পেমেন্ট স্লিপ তৈরি এবং অন্যান্য নথি ডিজিটাল যাচাইয়ের মাধ্যমে অনুমোদনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা এবং যথাযথভাবে সংরক্ষণ করাও সম্ভব হবে।
নতুন ব্যবস্থায় কনস্যুলার সেবার নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার জন্য হাইকমিশনের কাউন্টারে একাধিক পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, টাচ এন গো এবং কিউআর পেমেন্ট ব্যবহার করে ফি পরিশোধ করা যাবে। এতে ফি জমার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে আশা করছে হাইকমিশন।
সেবা নিতে আসা প্রবাসীদের সঠিক তথ্য নিশ্চিত করার জন্য পাসপোর্ট, ভিসা কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল কপি অথবা পরিষ্কার রঙিন ফটোকপি সঙ্গে আনার অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন। পাশাপাশি নির্ধারিত কনস্যুলার ফি পিওএস মেশিনে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, টাচ এন গো কিংবা কিউআর পেমেন্টের মাধ্যমে জমা দিতে বলা হয়েছে।
হাইকমিশন জানিয়েছে, নতুন প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে কম সময়ে বেশি সংখ্যক প্রবাসীকে কনস্যুলার সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দ্রুত, নির্ভুল ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।