ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের জন্য দেশটিকে শাস্তি পেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তেহরান দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) গালিবাফ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে শাস্তি পেতে হবে, তাদের আচরণ পরিবর্তন করতে হবে এবং স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে যে, ইরানি জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নেয়া ছাড়া তাদের কোনো বিকল্প নেই।’
স্পিকার বলেন, তেহরানের কৌশল অন্তহীন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া কিংবা অনির্দিষ্টকালের জন্য আলোচনায় আটকে থাকা নয়। বরং সামরিক শক্তি ও কূটনীতিকে কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে ইরানের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করাই এই কৌশলের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, প্রয়োজন হলে ইরানকে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করতে হবে, সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করতে হবে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্যকে রাজনৈতিক বিজয়ে রূপান্তর করতে হবে।
গালিবাফ বলেন, ‘এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা লড়াইও করব, আলোচনাও চালিয়ে যাব। প্রয়োজন হলে সর্বশক্তি দিয়ে যুদ্ধ করতে হবে, প্রস্তুতি বাড়ানোর প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগাতে হবে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিটি সামরিক বিজয়কে রাজনৈতিক বিজয়ে রূপান্তর করে তা সুসংহত করতে হবে। একইসাথে শত্রুর পরাজয়ের সুস্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে তা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে এবং মহান আল্লাহর সামনে আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে যে, জবরদস্তিমূলক নীতি অনুসরণকারী শত্রুর বিরুদ্ধে সাহসের সাথে লড়াই করতে হবে। পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধক্ষমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আলোচনাও চালিয়ে যেতে হবে।