ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলীয় আল-জাওফ প্রদেশের আল-হাজম শহরের একটি কারাগারে সৌদি আরব বিমান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের দাবি, হামলায় এক শিশুসহ অন্তত সাতজন নিহত এবং এক নারীসহ আরও সাতজন আহত হয়েছেন।
সোমবার হুথি-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আবাদি জানান, সৌদি সীমান্তবর্তী আল-জাওফ প্রদেশের কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ওই হামলা চালানো হয়। হামলার পর কারাগারের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সেখানে থাকা ব্যক্তিরা হতাহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।
হুথি-নিয়ন্ত্রিত আল মাসিরাহ টেলিভিশন হামলার পর ঘটনাস্থলের ভিডিয়ো ফুটেজ প্রকাশ করেছে। এতে একটি ধসে পড়া ভবন ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে উদ্ধারকর্মীদের তৎপরতা চালাতে দেখা যায়। তবে এসব ফুটেজের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আল-জাফর হামলা চালিয়ে বেসামরিক লোকজনকে হতাহত করার অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের চলমান সামরিক তৎপরতার জবাব দেওয়া হবে।
সারি আরও দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হুথি বাহিনী সৌদি আরবের চারটি গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে একটি সিএইচ-৪ ড্রোন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ড্রোন ইয়েমেনে সামরিক অভিযান পরিচালনায় ব্যবহৃত হচ্ছিল।
এদিকে হুথি গণমাধ্যমে আরও একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, এতে ইয়েমেনের হাদরামৌত প্রদেশের একটি সীমান্ত ক্রসিংয়ে সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী সৌদি সরবরাহকারী ট্রাকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দৃশ্য রয়েছে।
তবে কারাগারে বিমান হামলার অভিযোগ কিংবা হুথিদের করা অন্যান্য দাবির বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।