মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের মধ্যেই ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধে জড়িত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র এবারের বিশ্বকাপে একে অপরের মুখোমুখি হতে পারে কি না, তা নিয়ে আগ্রহ দেখা দিয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে।
১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে ইরান জাতীয় দল উত্তর আমেরিকায় পৌঁছেছে। দলটির প্রস্তুতি ক্যাম্প মেক্সিকোর তিহুয়ানায় হলেও গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই তারা খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ভেন্যুতে।
বিশ্বকাপের ড্র অনুযায়ী ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ভিন্ন গ্রুপে অবস্থান করছে। ইরান রয়েছে গ্রুপ ‘জি’-তে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ড। অন্যদিকে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র খেলবে গ্রুপ ‘ডি’-তে, যেখানে তাদের সঙ্গে রয়েছে অস্ট্রিয়া, প্যারাগুয়ে ও তুরস্ক।
একই গ্রুপে না থাকায় প্রথম পর্বে দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ নেই। তবে নকআউট পর্বে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে বহুল আলোচিত এই লড়াই বাস্তবে রূপ নিতে পারে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, দুই দলই যদি নিজ নিজ গ্রুপে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে, তাহলে রাউন্ড অব ৩২ পর্বে তাদের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটন শহরে।
রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে সম্ভাব্য এই ম্যাচকে ইতোমধ্যে অনেক ফুটবল সমর্থক বিশেষ গুরুত্ব দিতে শুরু করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া অঙ্গনে সম্ভাব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র লড়াই নিয়ে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।
তবে আপাতত দুই দলকেই প্রথমে গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে হবে। এরপরই পরিষ্কার হবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বহুল আলোচিত এই দ্বৈরথের সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নেয় কি না।