নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ড এবং সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত দুই দিনে মোট ৪৯ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
রোববার (৭ জুন) নোয়াখালীর পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শনিবার গভীর রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে শুক্রবার পৃথক অভিযানে ছাত্রলীগের ১৪ জন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ও কালাদরাপ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, একই আদেশে ফেনীর সোনাগাজী থানার ওসি মো. কামরুল ইসলামকে সুধারাম মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সুধারাম থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শ্রীরাম ভট্টাচার্যকে হাতিয়া থানার ওসি (তদন্ত) এবং হাতিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমানকে সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেন বলেন, সুধারাম মডেল থানার ওসির বদলি নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।