কর্ণাটকের ইয়াদগিরি জেলায় সরকারি আবাসিক স্কুলের এক নবম শ্রেণির ছাত্রী স্কুলের শৌচাগারেই এক নবজাতকের জন্ম দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত ২৭ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে।
স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হঠাৎ পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে ওই কিশোরী শৌচাগারে যায় এবং সেখানেই সন্তানের জন্ম দেয়। সহপাঠীরা বিষয়টি টের পেয়ে শিক্ষকদের জানালে ছাত্রী ও নবজাতককে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুজনেই বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ উঠেছে, প্রায় নয় মাস আগে ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোরী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। তবে ঘটনার পর থেকে মানসিক চাপে থাকায় এবং আতঙ্কে নির্যাতনের বিস্তারিত বা অভিযুক্তের পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হয়নি সে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, ২৮ বছর বয়সী এক যুবকের নাম তাদের হাতে এসেছে। কিশোরী সুস্থ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ঘটনার পর জেলা শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শিশু সুরক্ষা আইন (POCSO) এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়েছে।
এদিকে পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনাটি সম্পর্কে স্কুল কর্তৃপক্ষ কিংবা নাবালিকার দাদা কেউই প্রথমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেননি। এ কারণে হোস্টেলের ওয়ার্ডেন, প্রধান শিক্ষক, স্টাফ নার্স ও নাবালিকার অভিভাবকের বিরুদ্ধে পকসো আইন ও আইপিসির অধীনে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে কর্ণাটক রেসিডেন্সিয়াল ইনস্টিটিউশন সোসাইটি কর্তৃপক্ষ কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে স্কুলের চার কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। অভিযোগ রয়েছে, নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ছাত্রীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়নি।