প্রায় ২০ বছর পর চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। তার আগমনকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। বিশেষ করে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো গত কয়েক দিন ধরে মিছিল, শোডাউন ও প্রস্তুতিমূলক কর্মসূচিতে সরব রয়েছে।
শনিবার সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে কুমিল্লা হয়ে চাঁদপুরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। পথে কুমিল্লার বরুড়া এলাকায় একটি পথসভায় বক্তব্য দেওয়ারও সূচি রয়েছে।
সফরে চাঁদপুরের কৃষি ও সেচব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন সরকারপ্রধান। প্রথমে শাহরাস্তির উয়ারুক বাজারসংলগ্ন খোর্দ্দ খাল এবং পরে সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের বিশ্বখাল পুনঃখননের কাজ উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর।
এ ছাড়া বিকেলে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখান থেকেই ভার্চ্যুয়ালি দেশের আরও ২১টি জেলায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী।
দিনের শেষভাগে চাঁদপুর ক্লাবে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়ে সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে জেলা বিএনপি নেতারা বলছেন, চাঁদপুরবাসী এবার উন্নয়নসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা প্রত্যাশা করছে। জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বিষয়ে চাঁদপুরবাসীর প্রত্যাশা রয়েছে। তিনি মেঘনাপাড়ের হাইমচরে অর্থনৈতিক অঞ্চল ও একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপনের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।
অন্যদিকে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সফর নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের রুটে মহড়াসহ নিরাপত্তা ও যান চলাচল ব্যবস্থাপনায় বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কম হয়।
সফরের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সরকারের একাধিক মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।