হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ লেবানন সীমান্তজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে তারা ২৪ দফা হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ইসরায়েলি সেনা সমাবেশ, মেরকাভা ট্যাংক, সামরিক যান, কমান্ড সেন্টার এবং সীমান্তবর্তী কয়েকটি এলাকায় স্থাপিত সামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
হিজবুল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং দক্ষিণ লেবাননের বেসামরিক জনগণের ওপর হামলার জবাব হিসেবেই এসব অভিযান চালানো হয়েছে। হামলাগুলোতে ড্রোন, রকেট, কামানের গোলা এবং গাইডেড মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবানন থেকে আসা একটি “সন্দেহজনক আকাশযান” তাদের বিমান বাহিনী ভূপাতিত করেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, ড্রোন অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় আপার গ্যালিলি অঞ্চলে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একাধিকবার সাইরেন বাজানো হয়।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও সীমান্ত পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। গত মার্চ থেকে চলমান সংঘাতে লেবাননে হাজারো মানুষের প্রাণহানি এবং ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে, চলমান উত্তেজনার মধ্যেই আগামী ১৪ ও ১৫ মে ওয়াশিংটন এ দুই পক্ষের মধ্যে শান্তি আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তে চলমান হামলা-পাল্টা হামলা আলোচনার পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলছে।