যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অরল্যান্ডোর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহটি ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়। দুবাই হয়ে শনিবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে এটি বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
মায়ামিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল মরদেহ পাঠানোর পুরো কার্যক্রম তদারকি করেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর দ্রুততার সঙ্গে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় কনস্যুলেটের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় নিহত আরেক বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহও দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ দেশে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যয় বাংলাদেশ সরকার বহন করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
গত ১ মে ফ্লোরিডার হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে বাংলাদেশ দূতাবাস, কনস্যুলেট, পরিবারের সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
বৃহস্পতিবার টাম্পার একটি মসজিদে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, প্রবাসী বাংলাদেশি, কনস্যুলেট প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।
এদিকে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা কর্তৃপক্ষ নিহত নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি ও জামিল আহমেদ লিমনকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আসন্ন বসন্তকালীন সমাবর্তনে তাদের পরিবারের পক্ষে কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধি সম্মাননা গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।