ফরিদপুরের গেরদায় নিখোঁজের ছয় দিন পর উদ্ধার হওয়া সাত বছরের শিশুর মৃত্যুরহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ইয়াবা সেবন করে এক যুবক ওই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় এবং ব্যর্থ হয়ে নির্মমভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এই ঘটনায় মূল ঘাতকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাখুন্ডা এলাকার ইবাদত মৃধার ছেলে ইসরাফিল ওই শিশুটিকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে একটি নির্জন পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুকে নির্যাতনের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হলে তার গলা চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করে সে। পরে ধরা পড়ার ভয়ে মরদেহটি পাশের একটি বাড়ির টয়লেট ট্যাংকে ফেলে দেয় ঘাতক।
ঘটনার চার দিন পর টয়লেট ট্যাংক থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে বাড়ির মালিক নাসিমা বেগম বিষয়টি টের পান। কিন্তু পুলিশকে না জানিয়ে ফেঁসে যাওয়ার ভয়ে তিনি তার ছেলেদের সহায়তায় লাশটি একটি প্লাস্টিক ড্রামে ভরে পাশের কলাবাগানে ফেলে দিয়ে আসেন। ৩০ এপ্রিল স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেলে পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক ইসরাফিল নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ মরদেহ গুম করার অপরাধে নাসিমা বেগম ও তার ছেলে আমিনকেও গ্রেপ্তার করেছে। নিহত শিশুর বাবা বাকা বিশ্বাস বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করার পর আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।