সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন-এ হামলার ঘটনায় দেশটির দৈনিক তেল সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল কমে গেছে, যা মোট রপ্তানির প্রায় ১০ শতাংশের সমান। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, হামলায় পাইপলাইনের একটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ কমে গেছে এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে ইরান-এর হামলায় সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়। এ বিষয়ে এই প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিল সৌদি আরব।
এ ঘোষণা এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে ইসলামাবাদ-এ উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা হওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে যাওয়ার পর ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। এই পাইপলাইন সৌদি আরবের উপসাগরীয় উপকূলকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত করে, যা বিকল্প রপ্তানি রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, মানিফা তেলক্ষেত্র এবং খুরাইস তেলক্ষেত্র-এর তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রেও হামলা হয়েছে। এতে জ্বালানি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে।