পর্তুগালে গ্রীষ্মকালীন সময় (ডে-লাইট সেভিং টাইম) শুরু হচ্ছে এ রবিবার থেকে। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ মার্চ রাতে পর্তুগালের মূল ভূখণ্ড এবং মাদেইরা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ঘড়ি এক ঘণ্টা এগিয়ে যাবে : যখন সময় ০১:০০ হবে, তখন তা ০২:০০ হবে । আজোরস স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে এই পরিবর্তনটি আরও আগে, মধ্যরাতে ঘটবে, যেখানে সময় ০০:০০ থেকে ০১:০০ হবে।
প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ রবিবার এ সময় পরিবর্তন কার্যকর করা হয়। এতে করে সকালে কিছুটা অন্ধকার বেশি থাকলেও সন্ধ্যায় সূর্যের আলো দীর্ঘ সময় পাওয়া যায়। আবার অক্টোবর মাসের শেষ দিকে শীতকালীন সময় ফিরিয়ে আনতে ঘড়ি এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
সময়ের এক ঘণ্টাকে ৬০ মিনিটে ভাগ করার ধারণা এসেছে প্রাচীন ব্যাবিলনীয়দের গণনা পদ্ধতি থেকে, যেখানে ৬০ ভিত্তিক সংখ্যা ব্যবস্থার ব্যবহার ছিল। সেই ঐতিহাসিক প্রভাব এখনো আধুনিক সময় পরিমাপে বিদ্যমান।
ডে-লাইট সেভিং সময় চালুর মূল উদ্দেশ্য ছিল জ্বালানি সাশ্রয় এবং দিনের আলোকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানো। তবে এ নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। অনেক গবেষক মনে করেন, সময় পরিবর্তনের ফলে মানুষের ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ বিঘ্নিত হতে পারে এবং স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে এ ব্যবস্থা চালু থাকলেও তা বাতিলের বিষয়ে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে চলমান। পর্তুগালেও আপাতত এ নিয়ম বহাল রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সময় পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে আগের দিন রাতে একটু আগে ঘুমাতে যাওয়া এবং পরদিন পর্যাপ্ত সূর্যালোক গ্রহণ শরীরের জন্য সহায়ক হতে পারে।