রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী একটি বাস কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় রাতে উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজের সহায়তায় নদীর তলদেশ থেকে বাসটি পানির ওপরে তোলা হয়।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি নদীতে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার সময় কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারীও রয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
উদ্ধারকাজ শুরুর পর জানা যায়, বাসটি নদীর প্রায় ৬০ ফুট গভীরে ডুবে ছিল। সন্ধ্যার পর আবহাওয়া খারাপ হয়ে গেলে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হয়। তবুও ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এখনো বেশ কয়েকজন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে ডুবুরি দল তল্লাশি চালাচ্ছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই ঘাট এলাকায় স্বজনদের ভিড় এবং উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়তে থাকে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, একটি ফেরি পন্টুনে ধাক্কা দিলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ঘটনাটি তদন্ত করে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।