মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত অন্তত ৩ জন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় তারা প্রাণ হারিয়েছেন।
সর্বশেষ সৌদি আরবের আল-খার্জ গভর্নরেটের একটি আবাসিক কমপাউন্ডে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে একজন বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন। একই ঘটনায় একজন ভারতীয় নাগরিকও মারা যান এবং আরও কয়েকজন আহত হন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এর আগে যুদ্ধ শুরুর পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আহত হয়ে এক বাংলাদেশি মারা যান। এছাড়া বাহরাইনের একটি শিল্প এলাকায় সামরিক প্রজেক্টাইলের আঘাতে আরেক বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি ছড়িয়ে পড়ে। এর জবাবে ইরান অঞ্চলজুড়ে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব স্থানের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে বলে দাবি করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে প্রায় ৬০ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তাদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিস্থিতি আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।