আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সাহস ও অদম্যতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন ডা. জোবায়দা রহমান। তিনি বলেন, নানা প্রতিকূলতা ও অত্যাচারের মধ্যেও খালেদা জিয়া অবিচল থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছেন।
রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জোবায়দা রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সাহসিকতার সঙ্গে পথচলা অব্যাহত রেখেছিলেন। তিনি ছিলেন দৃঢ়চেতা এক নেতা, যিনি নারীদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, একটি জাতির উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেই দেশের নারীরা সমান সুযোগ ও মর্যাদা পায়।
তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদ পরিবেশে জীবনযাপন করতে পারবেন।” এবারের নারী দিবস সাম্য, ন্যায়বিচার এবং সমান অধিকারের অঙ্গীকার নতুন করে জোরালো করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়াসহ ছয়জন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
এ ছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য আরও পাঁচজন নারীকে সম্মাননা দেওয়া হয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী হিসেবে নুরবানু কবীর, নির্যাতনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য মোছা. আফরোজা ইয়াসমিনকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
আয়োজকদের মতে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল নারীদের স্বীকৃতি প্রদান অন্য নারীদেরও এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করবে এবং সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।