নিহতদের একজন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে বসবাসকারী সিলেটের বড়লেখার সালেহ আহমেদ। আকাশ থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে তিনি মারা যান। একই ঘটনায় বাহরাইনেও আরেক বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন এবং সেখানে তিনজন আহত হন।
এদিকে কুয়েতে ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পাবনা, নোয়াখালী ও কুমিল্লার বাসিন্দা। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তারা শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং রাষ্ট্রদূত হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হলে নিহতদের মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এছাড়া বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ জেবেল আলি বন্দরে অবস্থান করছে এবং জাহাজের সব নাবিক নিরাপদ আছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরকার গভীর উদ্বিগ্ন এবং সেখানে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রবাসীদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।