বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ চলাকালে ও পরবর্তীতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামের আমির ড. শফিকুর রহমান নির্বাচনের পরিস্থিতি ও ফলাফল গ্রহণ সম্পর্কে স্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। উভয় পক্ষই বড় ধরনের নির্বাচনি অভিযোগ না করলেও উভয়ের বক্তব্যে ভবিষ্যতের নির্বাচনী মূল্যায়ন ও ফলাফল গ্রহণের উল্লেখ রয়েছে।
তারেক রহমান ভোট কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে বলেন যে নির্বাচন মুক্ত ও সুষ্ঠু হলে ফলাফল তিনি ও বিএনপি মেনে নেবে। তবে তিনি যদি কোনো ধরনের প্রক্রিয়াগত জটিলতা, ফল প্রকাশে বিলম্ব বা গোঁজামিল সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সতর্ক করেছেন। তিনি দ্রুত ফল প্রকাশ ও আইন শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
একই সময় ভোট দিয়ে বেরিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, যদি নির্বাচন স্বাধীন ও ন্যায্যভাবে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে তারা ফলাফল গ্রহণ করবেন এবং বিশেষ করে অনেক তরুণ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন জানিয়ে ভোটারদের অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন।
নির্বাচনের সময় কোনো বড় স্বাধীন পর্যবেক্ষক বা আন্তর্জাতিক দল থেকে বিশেষ অভিযোগ বা ফলাফল প্রত্যাখ্যানের মতো আনুষ্ঠানিক নিন্দা রিপোর্ট হয়নি, তবে উভয় নেতাই বিভিন্ন স্তরে ষড়যন্ত্র বা অনিয়মের আশঙ্কা সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিয়ে এসেছেন এবং ভোটারদের শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণে গুরুত্ব দিয়েছেন।
ভোট দেয়ার পর শফিকুর রহমান বলেছেন যে এই নির্বাচন একটি বড় মোড় হতে চলেছে, বিশেষত দীর্ঘদিন রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ থাকার পর নিজের ভোট দেয়ার পেছনের তাৎপর্য নিয়ে।
এই নির্বাচনটি বাংলাদেশে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ দল নিষিদ্ধ এবং তিনি নির্বাসনে রয়েছেন। নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল হিসেবে দৃশ্যমান।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ভোটগ্রহণ অবাধভাবে চলছে, কিছু বিচ্ছিন্ন সহিংস ঘটনা থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় পালিত হচ্ছে।