কক্সবাজার জেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে, পাশাপাশি সীমান্তবর্তী অবস্থান, উপকূলীয় এলাকা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্পর্শকাতর জায়গায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথবাহিনী মাঠে নেমেছে এবং নির্বাচনকালীন সময়ে ১৩ হাজার ৪৯৯ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আ. মান্নান। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহিদুল ইসলাম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আ. আজিজসহ সেনা ও অন্যান্য বাহিনীর কর্মকর্তারা। তিনি বলেন, অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তায় ২ হাজার ১৬৬ জন সেনা, ৮৮০ জন বিজিবি, ৩৯৯ জন নৌবাহিনী, ৫০ জন বিমানবাহিনী, ১৪৫ জন কোস্টগার্ড, ৮০ জন র্যাব, ১৯০ জন আনসার ব্যাটালিয়ন, ১ হাজার ৮১৫ জন পুলিশসহ মোট ১৩ হাজার ৪৯৯ জন মোতায়েন। এছাড়া ৭ হাজার ৭৭৪ জন আনসার-ভিডিপি ভোটকেন্দ্রে থাকবেন, প্রতি কেন্দ্রে ১৩ জন করে। ৩৪ জন নির্বাহী ও ৯ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নেতৃত্ব দেবেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় যাতায়াত সীমিত, টহল-তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাম্প্রতিক যৌথ অভিযানে অস্ত্র-মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি ১ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা আটক হয়েছে। জেলায় ৪টি আসনের ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ভোটার ৫৯৮টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৬৮৯ কক্ষে ভোট দেবেন। ১২ হাজার ২৫১ কর্মকর্তা, ৪ হাজার ৫০৩ প্রিসাইডিং ও ৭ হাজার ৭৪৮ পোলিং অফিসার দায়িত্বে থাকবেন।