জীবনের গতি বাড়ছে, অথচ হাঁটাচলার সময়ে কমছে। দ্রুততার দাপটে সক্রিয় হতে পারছে না মানুষ। তাই সময় করে শরীর ও মন ভাল রাখার জন্য হাঁটাচলা করার অবকাশ নেই কারও। এরই মাঝে অফিস যাওয়ার আগে অথবা বাড়ি ফিরে অনেকেই হাঁটতে বেরোন।
যাঁরা নতুন করে হাঁটবেন বলে স্থির করেন, শুরুর দিকে প্রতি দিন অন্তত দেড় কিলোমিটার করে হাঁটার পরামর্শ দেওয়া হয় তাঁদের। কারণ, দেড় কিলোমিটার হাঁটা আদৌ খুব বেশি কষ্টসাধ্য নয়।
গাঁটে ব্যথা, ক্লান্তি, পেশিতে টান, এমন কোনও সমস্যা দেখা দেয় না এইটুকু পথ অতিক্রম করার পরে। হার্টের রোগ, রক্তচাপের সমস্যা, ওজন কমানো ইত্যাদির জন্য তো উপকারী বটেই, তবে মনের সুস্থতার জন্যও প্রতি দিন হাঁটার দরকার সকলের। এমনই দাবি আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের হেল্থ সিস্টেমের।
কিন্তু জীবনে সময়ের এতই অভাব যে, অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, দেড় কিলোমিটার হাঁটতে কত ক্ষণ লাগে? ঠিক কতটা সময় বার করতে হবে হাঁটার জন্য? নারী এবং পুরুষদের জন্য এই হিসেবটা খানিক ভিন্ন। কেবল লিঙ্গভেদে নয়, বয়স, শারীরিক ক্ষমতার উপরেও নির্ভর করে সময়ের ভিন্নতা।
কেউ ধীরে ধীরে হাঁটেন, কেউ বা দ্রুত হাঁটেন। সদ্য এক গবেষণায় (সিলভিয়া লরি সেন্টার ফর মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস রিসার্চ, জার্মানি) পুরুষ এবং নারীর হাঁটার গতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
তার পর বয়স এবং গতির ভিত্তিতে হাঁটার সময় বার করা হয়েছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটার গতি কমে যাবে এবং সময় বাড়বে। ওই একই গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর হাঁটার বয়স কমবে সকলের। মহিলাদের ক্ষেত্রে সেই হিসাব করে দেখানো হয়েছে, প্রতি ঘণ্টায় ০.০০৫৯৫৪৫৭২৮ কিলোমিটার করে হাঁটার গতিবেগ কমবে।
মন্তব্য করুন