শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১
জাতীয়প্রবাস বাংলাঅপরাধবাণিজ্যরাজনীতিঅন্যান্যসারাদেশমতামতস্বাস্থ্যফিচাররাজধানীপাঠকের কথাআবহাওয়াশিল্প-সাহিত্যগণমাধ্যমকৃষি ও প্রকৃতিইসলামবৌদ্ধহিন্দুখ্রিস্টানআইন-বিচারবিবিধআপন আলোয় উদ্ভাসিতবেসরকারি চাকুরিসরকারি চাকুরি Photo Video Archive

শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা জালিয়াতি করায় ২০০ ভারতীয় ধরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  ২৮ মার্চ ২০২৫, ০০:০৯
ছবি-সংগৃহীত

মানুষের বদলে ভিসার আবেদন করেছিল স্বয়ংচালিত রোবট বা সংক্ষেপে বট! এমনই অদ্ভুত অভিযোগে প্রায় দু’হাজার ভারতীয়ের ভিসার আবেদন বাতিল করল ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। মার্কিন দূতাবাসের দাবি, ওই অ্যাকাউন্টগুলি সময়সূচি নীতি লঙ্ঘন করেছে। এর পরেই সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সমাজমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতে ভিসা সংক্রান্ত একাধিক জালিয়াতিমূলক কার্যকলাপ ধরা পড়েছে। 

এই ধরনের আবেদনগুলির নেপথ্যে থাকা অ্যাকাউন্টগুলি চিহ্নিত করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দূতাবাসের তরফে কড়া বার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে, জালিয়াতি রেয়াত করা হবে না। যারা সময়সূচি নীতি লঙ্ঘন করবে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমেরিকায় ব্যবসায়িক প্রয়োজনে যাওয়ার ক্ষেত্রে বি১ ভিসা প্রয়োজন হয়। ঘুরতে যাওয়ার জন্য লাগে বি২ ভিসা। পরিবারের সদস্য কিংবা কোনও বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে আমেরিকা যেতে গেলেও বি২ ভিসারই দরকার হয়। অথচ সম্প্রতি দুই ভিসার অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রেই কড়াকড়ি বেড়েছে। 

ভিসার আবেদনের নিয়মেও আনা হয়েছে কড়াকড়ি। আমেরিকার ভিসা নবীকরণ করাতে গেলে এখন থেকে ভারতীয়দের আরও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে বলে গত মাসেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আরও জটিল হয়েছে ভিসা নবীকরণের জন্য আমেরিকার দূতাবাস, উপদূতাবাসে গিয়ে ইন্টারভিউয়ের প্রক্রিয়া। 

দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভিসা জালিয়াতি এবং বেআইনি অভিবাসনের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ করা শুরু করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। গত দু’মাসে তিন দফায় কয়েকশো ভারতীয় অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মার্কিন দূতাবাসের দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে গত সপ্তাহেই ভিসা এবং পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে তদন্ত শুরু করেছিল দিল্লি পুলিশ। তার প্রায় এক সপ্তাহের মাথায় নিজেই পদক্ষেপ করল দূতাবাস। সম্প্রতি ভুয়ো তথ্য দিয়ে ভিসার আবেদনের একাধিক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। 

তদন্তে নেমে ওই ঘটনায় জড়িত ৩১ জনেরও বেশি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দিল্লি পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন এজেন্টরাও। এই জাল নথিপত্রগুলি বানানোর জন্য অভিযুক্তেরা আবেদনকারীদের কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আদায় করেছিলেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩১৮, ৩৩৬, ৩৪০ ধারা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬(ডি) ধারার অধীনে মামলা দায়ের করে শুরু হয়েছে তদন্ত।

মন্তব্য করুন