শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১
জাতীয়প্রবাস বাংলাঅপরাধবাণিজ্যরাজনীতিঅন্যান্যসারাদেশমতামতস্বাস্থ্যফিচাররাজধানীপাঠকের কথাআবহাওয়াশিল্প-সাহিত্যগণমাধ্যমকৃষি ও প্রকৃতিইসলামবৌদ্ধহিন্দুখ্রিস্টানআইন-বিচারবিবিধআপন আলোয় উদ্ভাসিতবেসরকারি চাকুরিসরকারি চাকুরি Photo Video Archive

শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণঘাতি মাদক পাঠাচ্ছে ভারত: তুলসী গ্যাবার্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  ২৬ মার্চ ২০২৫, ১৬:৪০

চীনের পাশাপাশি ভারতকেও অবৈধ ফেন্টানাইল উৎপাদনের জন্য অপরাধী সংগঠনগুলোর কাছে রাসায়নিক উপাদান সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘রাষ্ট্রীয় সহযোগী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার প্রকাশিত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার বার্ষিক হুমকি মূল্যায়ন (এটিএএ) প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফেন্টানাইলসহ অন্যান্য সিনথেটিক ওপিওড যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাদক হিসেবে পরিচিত, যা ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১২ মাসের মধ্যে ৫২,০০০-এর বেশি আমেরিকানের প্রাণ কেড়েছে।  

‘এই আন্তর্জাতিক অপরাধী সংগঠনগুলো (টিসিও) প্রায়শই রাষ্ট্রীয় সহযোগিতায় সরাসরি ও পরোক্ষভাবে মাদক পাচারের রাসায়নিক উপাদান ও সরঞ্জাম সংগ্রহ করে, যেখানে চীন ও ভারত প্রধান উৎস’, মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (ডিএনআই) পরিচালিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।  

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘চীন এখনো অবৈধ ফেন্টানাইলের রাসায়নিক উপাদান ও পিল প্রেসিং যন্ত্রপাতির প্রধান সরবরাহকারী, যার পরেই রয়েছে ভারত।’  

উল্লেখযোগ্যভাবে, এটি প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ভারতকে চীনের সমপর্যায়ে রাখা হলো, যেখানে বলা হয়েছে যে ভারতীয় রাসায়নিক সরবরাহকারীরা মেক্সিকোর মাদক চক্রগুলোর কাছে ওপিওড তৈরির উপাদান পাঠাচ্ছে। 

গত বছরের প্রতিবেদনে ভারতকে শুধু মেক্সিকান গোষ্ঠীগুলোর জন্য একটি গৌণ উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল, যেখানে চীনকে প্রধান সরবরাহকারী বলা হয়েছিল।  

প্রতিবেদনটি এমন সময় প্রকাশিত হলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেন্টানাইল মোকাবিলাকে তার রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের অন্যতম বিষয় হিসেবে নিয়েছেন। এ মাসের শুরুর দিকে তিনি বলেছিলেন, আমরা আমেরিকায় ফেন্টানাইল মহামারি বন্ধ না করা পর্যন্ত বিশ্রাম নেব না। 

চীন যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় ১ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প প্রশাসন দেশটির ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। পাশাপাশি কানাডা ও মেক্সিকোর ওপরও ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়, যা সীমান্ত নিরাপত্তা যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে না পারার অভিযোগে চাপানো হয়েছে।  

এদিকে, ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন তিনি ‘লিবারেশন ডে’ শুল্ক কার্যকর করতে যাচ্ছেন, যা ২ এপ্রিল থেকে চালু হবে। তবে ভারত বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনায় রয়েছে, যা কিছু শুল্ক থেকে দেশটিকে রক্ষা করতে পারে।

মন্তব্য করুন