শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১
জাতীয়প্রবাস বাংলাঅপরাধবাণিজ্যরাজনীতিঅন্যান্যসারাদেশমতামতস্বাস্থ্যফিচাররাজধানীপাঠকের কথাআবহাওয়াশিল্প-সাহিত্যগণমাধ্যমকৃষি ও প্রকৃতিইসলামবৌদ্ধহিন্দুখ্রিস্টানআইন-বিচারবিবিধআপন আলোয় উদ্ভাসিতবেসরকারি চাকুরিসরকারি চাকুরি Photo Video Archive

শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১

এ যেন প্রদীপের নিচে অন্ধকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  ২৮ নভেম্বর ২০২৪, ১৮:০৩

বিশ্বের উন্নত শহরগুলোর মধ্যে ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডন একটি। কিন্তু এখানকার কিছু বিষয় আপনাকে অবাক করবে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেদনাদায়ক ব্যাপারটা হলো রাফ স্লিপিং (যত্রত্র ঘুমানো)। 

আরেকটি বিষয় আপনি জেনে অবাক হবেন যে প্রতি বছর শত শত মানুষ গৃহহীন (হোমলেস) অবস্থায় লন্ডনের রাস্তায় মারা যায়। এ যেন প্রদীপের নিচে অন্ধকার। সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, লন্ডনে রাফ স্লিপিং করে এমন মানুষের সংখ্যা চার হাজারেরও বেশি।

ট্রাস্ট ফর লন্ডনের ডেটায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে রাজধানীতে প্রায় ১২ হাজার মানুষকে রাফ স্লিপিং করতে দেখা গেছে। ২০১০ সালের চাইতে এই সংখ্যা তিনগুণ বেশি। লন্ডনের বর্তমান মেয়র সাদিক খান দায়িত্ব নেয় ২০১৬ সালে। ওই সময়ের চাইতে রাফ স্লিপার প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। 

কনজারভেটিভ পার্টির সরকারের সময়ে রাফ স্লিপিং বন্ধ না করার জন্য লন্ডনের মেয়র এবং সরকার একে অপরকে দায়ী করেছে। 

তবে রাফ স্লিপিংয়ের সংখ্যা যে বাড়ছে তাতে কোনো বিতর্ক নেই। জানা গেছে, লন্ডনের কিছু হাই স্ট্রিটে এবং ব্যস্ততম রাস্তার নীচে আশ্রয় নিয়েছে মানুষ। অনেকে টটেনহ্যাম কোর্ট রোডের পাশে কেউবা ক্যানিং টাউনের একটি ডুয়েল ক্যারেজওয়ের নিচে তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছে।

শহরে অনেক মানুষ রয়েছে যাদের রাফ স্লিপিং করা বুঝা যায় না। অনেকে সার্ফিং সোফায় থাকছে, কোপসে বাস করছে, পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ঘুমাচ্ছে এবং টোয়েন্টি ফোর আওয়ার রেস্তোরাঁয় আশ্রয় নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাফ স্লিপিং সংকটের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে লন্ডন। 

তাই আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে লন্ডনের রাফ স্লিপিং বন্ধ করতে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সরকার এবং লন্ডনের মেয়র সাদিক খানকে সঠিক পলিসি গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করতে হবে।

মন্তব্য করুন