শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১
জাতীয়প্রবাস বাংলাঅপরাধবাণিজ্যরাজনীতিঅন্যান্যসারাদেশমতামতস্বাস্থ্যফিচাররাজধানীপাঠকের কথাআবহাওয়াশিল্প-সাহিত্যগণমাধ্যমকৃষি ও প্রকৃতিইসলামবৌদ্ধহিন্দুখ্রিস্টানআইন-বিচারবিবিধআপন আলোয় উদ্ভাসিতবেসরকারি চাকুরিসরকারি চাকুরি Photo Video Archive

শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

ডা. হালিদা হানুমকে ওয়ার্ল্ড জার্নালিস্টস ক্লাবের স্বাধীনতা সম্মাননা মনোনীত

হাকিকুল ইসলাম খোকন
  ২৯ মার্চ ২০২৫, ১০:৩৮

মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত, নিপীড়িত, ধর্ষিতা বীরাঙ্গনাদের সেবাদানে এবং জনস্বাস্থ্যে বিশেষ অবদানের জন্য ডাক্তার হালিদা হানুম  আখতারকে ওয়ার্ল্ড জার্নালিস্টস ক্লাবের স্বাধীনতা সম্মাননা- ২০২৫ এ মনোনীত করা হয়েছে।

ডাক্তার হালিদা হানুম আখতার। তিনি বাংলা একাডেমী ফলোশিপ পুরস্কার ও বেগম রোকেয়া পদক ২০২৩ লাভ করেন। স্ত্রী রোগ ও প্রসূতিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পর আমেরিকার জনস হপকিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনস্বাস্থ্য মাস্টার্স ও ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনস্ত প্রজনন স্বাস্থ্য গবেষনা ইনস্টিটিউট'র প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ছিলেন। দেশের বৃহত্তম পরিবার পরিকল্পনা সংস্থার মহাপরিচালক ছিলেন। এর আগে ও পরে এই দপ্তরে কোন নারী এতোবড় দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পায়নি। দেশে বিদেশে ডাক্তার হালিদা হানুম আখতার ডাক্তারি বিদ্যায় বহু ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

এই মহিয়সী রমনী ১৯৭১ সালে তৎকালীন সরকারের অধীনে আমেরিকায় মেডিসিন সাইন্সে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে গমন করেন। সে সময়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দিন আহমদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। দেশে এসে তিনি মুক্তিযুদ্ধে নিপীড়িত, নির্যাতিত, ধর্ষিত বীরাঙ্গনাদের সেবাদানে ব্রত হন। 

ধানমন্ডির ৭ নম্বর রোডে ২৬ বি (বর্তমান ঠিকানা) "সাদাবাহার" এর সেবাসদন হাসপাতালে এসব নির্যাতিত নারীদের সেবাদান করেন।  টানা চার মাস বীরাঙ্গনাদের কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। তাদের করুণ ও ভীবিষিকাময় কাহিনীর নীরব স্বাক্ষী তিনি। তাদের তৎকালীন জীবনচারিত ও অজনা কথা নিয়ে তিনি লিখেছেন, সম্ভ্রম যোদ্ধা: সেবাসদন ও একজন ডাক্তার হালিদা নামক ঐতিহাসিক বইটি। বইটির প্রতিটি পরতে পরতে উঠে এসেছে বীরাঙ্গনাদের অকথিত কাহন।

মন্তব্য করুন