শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১
জাতীয়প্রবাস বাংলাঅপরাধবাণিজ্যরাজনীতিঅন্যান্যসারাদেশমতামতস্বাস্থ্যফিচাররাজধানীপাঠকের কথাআবহাওয়াশিল্প-সাহিত্যগণমাধ্যমকৃষি ও প্রকৃতিইসলামবৌদ্ধহিন্দুখ্রিস্টানআইন-বিচারবিবিধআপন আলোয় উদ্ভাসিতবেসরকারি চাকুরিসরকারি চাকুরি Photo Video Archive

শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১

কেন এত গাঢ় ভালোবাসার সমাপ্তি বিচ্ছেদে?

বিনোদন ডেস্ক
  ০১ মার্চ ২০২৫, ১২:৩১

যশবর্ধন-টিনা, দুই সন্তান তাঁদের। দুই সন্তানই সাবালক। তবু এখনও স্বামীকে সকলের সামনে গভীর আদরে ভরিয়ে দেন সুনীতা আহুজা! অভিনেতা-রাজনীতিবিদ গোবিন্দ‌র স্ত্রী। যা দেখে রীতিমতো অস্বস্তিতে ভোগেন তাঁদের ছেলেমেয়ে। 

তার পরেও দিন কয়েক ধরে সমাজমাধ্যম এবং সংবাদমাধ্যম তোলপাড়, বিয়ের ৩০ বছর পর নাকি বিয়ে ভাঙছে তারকা দম্পতির। বলিউডের বাকিরা বিস্ময়ে হাবুডুবু খেয়েছেন। যদিও মায়ানগরীতে বিয়ে ভাঙার ঘটনা নতুন কিছু নয়!

তার পরেই প্রশ্ন উঠেছে, কেন এত গাঢ় ভালবাসার সমাপ্তি বিচ্ছেদে?

গোবিন্দ বিষয়টি নিয়ে বেশি কথা বলেননি। বরং সুনীতার কিছু বক্তব্য চর্চায় ইন্ধন জুগিয়েছে। যেমন, কখনও যশবর্ধনের উপস্থিতিতেই তিনি ছবিশিকারিদের জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী ‘ভ্যালেন্টাইন’-এর সঙ্গে রয়েছেন! এ কথায় নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছিল। রটনা, গোবিন্দ নাকি এক মরাঠি অভিনেত্রীর প্রেমে পড়েছেন। 

সে খবরেই কি সিলমোহর দিলেন সুনীতা? কখনও এমনও দাবি করেছেন, তৃতীয় ব্যক্তি তো কিছুতেই তাঁদের জীবন থেকে যাবেন না। নিজের জন্মদিন একাই পালন করেন— ইত্যাদি। পাশাপাশি এ-ও শোনা গিয়েছে, মাস ছয়েক আগে আইনি বিচ্ছেদ চেয়ে গোবিন্দকে নোটিস পাঠিয়েছিলেন সুনীতা। আইনজীবী জানিয়েছিলেন এ কথা। 

ঈশ্বরের কাছে সুনীতা নাকি এ-ও প্রার্থনা করেছেন, আগামী সাত জন্মে যেন গোবিন্দকে স্বামী হিসেবে না পান। রটনা আরও জোরালো হয় তারকা দম্পতির আলাদা বসবাস নিয়ে। গোবিন্দ থাকেন নিজের বাংলোয়। সুনীতা উল্টো দিকের একটি বাড়িতে।

গুঞ্জনের সত্যাসত্য বিচারের আগে প্রশ্ন, রটনার সূত্রপাত কবে, কী ভাবে? গত অক্টোবর নিজের বাড়িতেই পায়ে গুলি লেগে গুরুতর জখম হন অভিনেতা-রাজনীতিবিদ। নিজের রিভলভারের গুলিতে জখম হয়েছিলেন তিনি। 

সেই সময় অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টি হাসতে হাসতে প্রশ্ন তুলেছিলেন, সুনীতাই কি রাগের মাথায় পায়ে গুলি করেছেন? সঙ্গে সঙ্গে বাকিদের মনে সন্দেহ জেগেছিল, তা হলে কি গোবিন্দ-সুনীতা ভাল নেই? এই ঘটনা কি তারই আভাস? অভিনেতা অবশ্য বিষয়টি দ্রুত ধামাচাপা দিয়ে জানিয়েছিলেন, সুনীতা সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না। মন্দিরে গিয়েছিলেন পুজো দিতে।

এ ভাবেই নানা প্রশ্ন, চর্চার কারণে যখনই বিষয়টি জটিল থেকে জটিলতর, তখনই মুখ খুললেন সুনীতা। শনিবার রাত থেকে তাঁর একটি ঝলক-বার্তা সমাজমাধ্যমে ঘুরছে। সেখানে জোরগলায় তিনি ছাদ আলাদা করার কারণ দর্শিয়েছেন। তাঁর কথায়, “মেয়ে বড় হয়েছে। বাড়িতে আমি শর্টস পরে থাকি। 

এ দিকে উনি (গোবিন্দ) রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন। ফলে, কর্মকর্তারা বাড়িতেই আসেন। বাধ্য হয়ে তাই আমরা ওঁর অফিসে থাকি। পুরোটাই নিজেদের আব্রু বজায় রাখতে।” এ-ও যোগ করেছেন, “আমাকে গোবিন্দর থেকে আলাদা করবে এত ক্ষমতা কারও নেই। কেউ এ রকম কিছু ভেবে থাকলে সামনে আসুন!” 

আর স্বামীর ‘ভ্যালেন্টাইন’-এর থাকার বিষয়টি? তারকা-পত্নী সেই জবাবও দিয়েছেন। তাঁর মতে, তিনি রসিকতা করেছিলেন। গোবিন্দের ‘ভ্যালেন্টাইন’ তাঁর কাজ। কাজ ছাড়া অভিনেতা থাকতে পারেন না। আবারও নতুন ছবির কাজ নিয়ে মেতে উঠেছেন।

সুনীতার তাই কপট আক্ষেপ, তাঁর জীবনে ‘সতীন’ গোবিন্দর কাজ!

মন্তব্য করুন